স্কুইড গেম ১ নেটফ্লিক্স টিভি সিরিজ রিভিউ।



 স্কুইড গেম ১ নেটফ্লিক্স টিভি সিরিজ রিভিউ। 

আসসালামু আলাইকুম আজ আমি আপনাদের অনেক অনেক অনেক রিকুয়েস্টের পর ফাইনালি নেটফ্লিক্সের নতুন এবং সুপারহিট ওয়েব সিরিজ হুইচ গেমের এক্সপ্লেনেশন হাজির হয়েছি আমরা প্রথমে পিছনের ষ্টীলের জানবো এপিষদে শুরুতেই আমরা একটি ফ্লাশব্যাক দেখতে পায় যেখানে কতগুলো ছোট ছেলে মিলে করি আরেকটি জনপ্রিয় খেলা গেম খেলছিল আর ব্যাকগ্রাউন্ডে কেউ একজন বিস্কুট গেমটি কিভাবে খেলা হয় তা বলছিল তখন আমরা ঐ লোকটির কথাই বুঝতে পারিস গেম অনেক টাকা বাটির মতো একটি খেলা যেখানে পক্ষ এবং বিপক্ষ দল হিসেবে দুটি টিম থাকে এবং মাঠের মধ্যে কিছু লাইন আঁকা থাকে পক্ষে দলের খেলোয়াড়দের ওই লাইনগুলোর ভেতরে এবং বিপক্ষে দলের খেলোয়াড়দের লাইনের বাইরে থাকতে হয় তবে সুযোগ পেলে পক্ষ দলের চোখ ফাঁকি দিয়ে বিপক্ষ দলের খেলোয়াড়রা.


 

লাইন এর ভেতরে যেতে পারে পক্ষ দলের খেলোয়াড়দের একজন একজন করে ওই লাইনগুলোর ভেতর দিয়ে একটি নির্দিষ্ট সার্কেল পর্যন্ত পৌঁছাতে হতো যদি পক্ষ দলের কেউই সার্কেল পর্যন্ত পৌঁছে যায় তবে তারা জিতে যেতো কিন্তু যদি তার আগে বিপক্ষ দলের খেলোয়াড়রা পক্ষ দলের প্রত্যেক খেলোয়াড় কে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিতে পারে এবং তাদেরও সার্কেল পর্যন্ত পৌঁছানো আটকাতে পারে তবে বিপক্ষ দলের খেলোয়াড়রা জিতে যাবে এরপর প্রায় শেষ হয় এবং আমরা বর্তমান সময়ে জীবন নামের একটি লোককে দেখতে পায় যার কথা এতক্ষণ ধরে আমরা ফ্ল্যাশব্যাকে শুনছিলাম এবং ইসকেমে ওই ছোট ছেলেদের মধ্যে সেও একজন ছিল এখন বর্তমানে আমরা দেখতে পাই যে হন তার মায়ের সাথে থাকত এবং তাদের উপর আগে থেকেই অনেক টাকা ঋণ ছিল এখানে যেই হোন এবং তার মায়ের কথা দ্বারা আমরা জানতে পারি যে আজীবনের মেয়ের জন্মদিন ছিল তাই জীবনের.

 

তাকে কিছু টাকা দেয় যাতে সে তার মেয়েকে জন্মদিনে কিছু ভালো খাবার কিনে দিতে পারে তবে জীবনের এত কম টাকায় মন ভরে না আর তাই সে তার মায়ের ক্রেডিট কার্ড চুরি করে নেয় এরপর আমরা দেখি জীবন সেই ক্রেডিট কার্ড থেকে টাকা তোলে আর ওই টাকা দিয়ে ভালো কিছু করার বদলে সেই টাকার জুয়া খেলায় ব্যবহার করে ফেলে যা সে সবসময় করত জীবনে জুয়া খেলার বদভ্যাস ছিল আর এ কারণে তাদের ওপর এত বেশি ঋণের বোঝা ছিল এখন জীবন একটি ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় টাকা লাগায় এবং তা দেশে অনেকগুলো টাকা দ্বিতীয় যায় যেতে রাজি হন অনেক বেশি খুশি ছিল তাই সে তার টাকা থেকে ক্যাশ কাউন্টারে থাকা একটি মেয়েকে 10000 টাকা দিয়ে দেয় এরপর সেখান থেকে বেরিয়েছি হন তার মেয়েকে ফোন করে আর তাকে জন্মদিন উদযাপনের জন্য আসতে বলে তখনই কিছু লোক জীবনকে ধাওয়া করে যারা কিনা জীবনের.


 

অনাদার ছিল থেকে বাঁচতে জীবন দৌড়াতে থাকে এবং দৌড়াতে দৌড়াতে তার একটি মেয়ের সাথে ধাক্কা লেগে এরপর জীবন মেয়েটিকে সরি বলে আবারো দৌড়ানো শুরু করে তাকে ধরে ফেলে তখন যেই হোন পাহারাদারদের কে টাকা দেওয়ার জন্য পকেট এ্ হাত দিলে সে দেখতে পায় তার পকেট কাটা ছিল এবং সেখানে কোনটাই ছিল না এখানে জীবন বুঝতে পারে যে সে মেয়েটির সাথে তার ধাক্কা লেগেছিল ওই মেয়েটি তার টাকা চুরি করেছে এখন টাকা দিতে না পারায় পাওনাদাররা তাকে মারধর শুরু করে এবং জীবনকে দিনে তারা একটি এগ্রিমেন্ট সাইন করার যে এগ্রিমেন্ট মোতাবেক জীবন যদি পরবর্তী এক মাসের মধ্যে তাদের টাকা দিতে না পারে তবে তারা জীবনের একটি কিডনি এবং এইচডি চোখ নিয়ে নেবে তখন আর কোন উপায় না থাকায় যে হনু এগ্রিমেন্টে তার আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে দেয় এরপর আমরা দেখতে পাই যেহেতু এখন জীবনের কাছে কোনো টাকা ছিল.


 

তাই সে ক্যাশ কাউন্টারের ওই মেয়েটির কাছ থেকে সেই 10000 টাকা ফেরত নিয়ে নেয় সে ওই মেয়েটিকে খুশি হয়ে গিয়েছিল এরপর জীবন সে টাকা দিয়ে তার মেয়ের জন্য একটি গিফট নিতে চাই এখানে অল্প খরচে গিফট নেওয়ার আশ্বাস এটিএম এর মাধ্যমে একটি খেলনা তুলে নিতে চাই কিন্তু খুব বেশি তাড়াহুড়ো করছিল যার ফলে সেখানেও ঠিকভাবে তুলতে পারছিল না আর ঠিক তখনই একটি ছেলে জীবনকে খেলাধুলায় সাহায্য করে যে কিনা এই খেলায় অনেক পারদর্শী ছিল এরপর জীবন তার মেয়েকে একটি কম দামি রেস্টুরেন্টে ডিনার করাতে নিয়ে যায় এখানে আমরা দেখতে পাই সে ছোট হওয়া সত্বেও তার বাবার অভাব বুঝতে পারত তাই তার বাবা তাকে যতোটুকু দিতে পেরেছে তাতেই সে খুবই খুশি ছিল তখন আমরা জানতে পারি যে যেই হোন এবং তার স্ত্রী ডিভোর্স হয়ে গিয়েছিল এবং তার স্ত্রী এখন অন্যজনের.


 

বিয়েও করেছিল তার মায়ের সাথে এবং তার সৎ বাবার সাথে থাকত এখন দিনের শেষে জীবন তার মেয়েকে বাড়িতে পৌঁছে দেয় কিন্তু দেরি করার ফলে সে নিজের বাড়ি ফেরার ট্রেন টিমিংস করে ফেলে এরপর যখন প্লাটফর্মে বসে অন্য ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছিল তখন একটি অপরিচিত লোকদের কাছে এসে তার সাথে একটি গেম খেলতে বলে যে করি আরেকটি প্রচলিত গেম ছিল লোকজনকে বলেছে যদি সেই খেলায় জিতে যায় তবে লোকটি তাকে এক লক্ষ টাকা দিবে আইসিওতে ওই লোকটি জিতে যায় তবে তার বদলে জীবনকে একটি করে চড় মারবে প্রথমে যেতে রাজি না হলেও পরবর্তীতে সে এতগুলো টাকার লোভ সামলাতে পারে না আর তাই সেই গেমটিতে রাজি হয়ে যায় কিন্তু প্রত্যেক বার জীবনে হেরে যাচ্ছিল আর ঐ লোকটি তাকে একটি করে চড় মার ছিল শেষ পর্যন্ত যে কোন একটি রাউন্ড জিতেছে.


 

এবং ঐ লোকটি তাকে কথামতো এক লক্ষ টাকা দিয়েও দেয় শুধুমাত্র তাই নয় এখানে ঐ লোকটির জীবনকে এরকম আরো কিছু ছোট ছোট গেম খেলে সহজে টাকা আয় প্রস্তাব দেয় কিন্তু যেই হোন লোকটিকে না করে দেয় তখন আমরা দেখতে পাই ওই লোকটি জীবনের নাম পরিচয় এমনকি তার ব্যাপারে সবকিছু জানেন তো এসব দেখে অবাক হয়ে যায় এবং লোকটিকে প্রশ্ন করেছে সে কি আর শেষ জীবনের ব্যাপারে এত কিছু কিভাবে জানল লোকটি তখন জীবনকে একটি ফোন নাম্বার দেয় এবং জানায় তাদের কাছে খুব কম সংখ্যক সিট খালি আছে একথা বলে লোকটি সেখান থেকে চলে যায় কিন্তু যেই হোন এতগুলো টাকা পাওয়ার খুশিতে এইসব নিয়ে আর ভাবি না এবং বাজার থেকে মাছ কিনে বাড়ির পথে রওনা দেয় তখন প্রতিটি জীবন একটি ক্ষুধার্ত বিড়ালকে দেখতে পায় এবং সেও বিড়ালটিকে ও একটি মাছ খেতে দেয় এ থেকে আমরা বুঝতে পারি যে হন খুব ভালো মনের.


 

মানুষ ছিল এরপর বাড়িতে ফেরার পর জীবনের মা তাকে জানায় যে ইয়াংয়ের সৎ বাবা আমেরিকাতে নতুন একটি চাকরি খুঁজে পেয়েছি আর তাই জিয়া সহ তাদের পুরো পরিবার আগামী বছর আমেরিকাতে চলে যাবে একথা শুনে জীবনের মন খারাপ হয়ে যায় কিন্তু তাঁর এ ব্যাপারে কিছুই করার ছিল না কারণ তার এবং তার স্ত্রী ডিভোর্স এর সময় তারা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে ছিল যে যেমন তার মায়ের সাথেই থাকবে তখন সিএন এর মাকে জানাই যে সে একজন উকিল এর মাধ্যমে জেনেছে যে যদি কোন কোর্টের কাছে প্রমাণ করতে পারে যে যেই অংকে লালন-পালনের মতো আর্থিক সামর্থ্য তার আছে তবে সে চাইলে জিয়াকে তার সাথে রেখে দিতে পারে চিহ্ন এই ব্যাপারে ভাবছিল আর তখনই তার প্ল্যাটফর্মের সেইল অপরিচিত লোকদের প্রস্তাবের কথা মনে পড়ে যায় রাজি হন ওই লোকটির দেওয়া নাম্বারে ফোন করে এখানে.


 

ফোনের অপর পাশ থেকে কেউ একজন জীবনকে এই গেমে অংশগ্রহণ করার জন্য তার নাম এবং জন্মতারিখ দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে বলে আসলে জীবনে এই গেম এ অংশগ্রহণ করে বেশি পরিমাণ টাকা আয় করতে চাইছিল যাতে সে যে ইয়ং এর দায়িত্ব নিতে পারে এখন আমরা দেখতে পাই যে হন রাস্তায় কারো জন্য অপেক্ষা করছিল আর তখনই তিরিশে জীবনের সামনে দাঁড়ায় এরপর গাড়িতে থাকা একটি মাক্স পরা লোক জীবনকে পাসওয়ার্ড বলতে বলে যেই হোন রেড লাইট গ্রীন লাইট পাসওয়ার্ডটি বলে এখানে গাড়ির ভিতরে চিহ্ন বাদেও আরো কিছু লোক ছিল যারা সকলে ঘুমন্ত অবস্থায় ছিল এরপর ওই গাড়ির ড্রাইভার গাড়ির মধ্যে একটি গ্যাস ছাড়ে যার ফলে কি হলো ঘুমিয়ে পড়ি যখন চোখ খুলে তখন সে নিজেকে একটি অচেনা স্থানে আবিষ্কার করে সেখানে তার জামাকাপড় পরিবর্তন করে দিয়েছিল আর তার সাথে থাকা সকল.


 

শ্রোতারা নিয়ে নিয়েছিল এরপর খেয়েছে সে একা নয় বরং এখানে তার সাথে আরো অনেক মানুষ রয়েছে আর আমরা দেখি সেখানে উপস্থিত সকলের গতিবিধি সিসিটিভি ক্যামেরা দ্বারা কিছু লোক নিয়ন্ত্রণ করছে যারা সবাই একই রকমের কাপড় এবং মুখে মাক্স পরা ছিল তারপরও আমরা সেখানে অন্য ধরনের কাপড় পরা একটি লোককে দেখতে পায় এবং বুঝতে পারি যে ঐ লোকটি সেখানকার লিডার ছিল এখন যেই হন সেখানে একজন বৃদ্ধ লোককে দেখতে পায় যে কিনা এখানে মোট কতজন মানুষ ছিল তার হিসাব করছিল তখন তাকে একটি বোর্ড দেখায় এবং বলে যেখানে মোট 456 জন মানুষ রয়েছে এরপর যে হন ওই বৃদ্ধ লোকটিকে জিজ্ঞাসা করে যে সে এই বয়সে এসব গেম খেলতে কেন এসেছে তার তো এখন তার নাতি নাতনীদের সাথে খেলার কথা ছিল তখন বৃদ্ধ লোকটি জানায় যে তার ব্রেন টিউমার.


Post a Comment

Previous Post Next Post